গাছ লাগান-জীবন বাঁচান : নোঙর

0
28

‘গাছ লাগান-জীবন বাঁচান’, plant tree save life’s র্শীষক আলোচনা সভা এবং বৃক্ষ রোপণ অভিযান অভিযান শুরু করেছে নোঙর বাংলাদেশ।

গত ১৪ জুলাই ২০২৩, শুক্রবার সকাল ১০:০১মিনিটে ‘ছবিরহাট প্রাঙ্গণে এ সভার শুরুতে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ছবির হাটর পাশে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ রোপন করার মাধ্যমে আলোচনা সভা শুরু হয়।

আলোচনা সভার শেষে উদ্যানের বিভিন্ন স্থানে আম্রপালি, আতাফল, ছাতিম, পলাশ, নাগেশ্বর, সোনালু, কৃষ্ণচুড়া, অশ্বতহস বিভিন্ন ধরনের ফুল ও ফলের ১০০টি। পর্যায় ক্রমে এদেশের বিভিন্ন জেলায় বৃক্ষরোপনের এই ধারাবাহিকতা অব্যহত থাকবে।

সভার প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কথাসাহিত্যিক জনাব ইসহাক খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মালিক খসরু, পিপিএম, সাবেক এআইজি, বাংলাদেশ পুলিশ। বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব শামসুজ্জান খান মিলন।

সভার প্রধান অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কথাসাহিত্যিক জনাব ইসহাক খান বলেন, “বৃক্ষ রোপন করা একটি মহান কাজ, বৃক্ষ আমাদের কে প্রেম ভালবাসা ছায়া দেয়”। বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মালিক খসরু, পিপিএম, সাবেক এআইজি, বাংলাদেশ পুলিশ বলেন,” গাছ লাগানো কর্মসূচির সাথে গাছের উপযুক্ত মাটি ও সরবরাহ করতে হবে”।

বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব শামসুজ্জান খান মিলন বলেন,” “বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি করার আগে সমাজকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে, তাহলেই গাছ লাগানোর সার্থকতা পাওয়া যাবে”।

প্রফেসর আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার বিভাগীয় প্রধান পরিবেশ বিজ্ঞান অনুষদ, স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বলেন, “স্কুল লেভেল থেকে গাছ লাগানো ব্যাপারে উৎসাহিত করতে হবে”।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জনাব মিহির বিশ্বাস বলেন, “উদ্ভিদ, প্রাণী এবং পানি এই জীবন চক্র উন্নয়নের জন্য বৃক্ষ রোপনের কোন বিকল্প নাই এবং সম্পদশালীদের গাছ লাগানো উদ্বুদ্ধ করতে হবে”।

গ্রীণ সের্ভাসের প্রতিষ্ঠাতা জনাব আহসান রনি বলেন, “কোথায়, কোন জায়গায় এবং সঠিক জায়গায় বিবেচনা করেই গাছ লাগাতে হবে”।

রিভারাইন পিপল এ-র পরিচালক আইরিন সুলতানা বলেন ,”সেই আদিকাল থেকে গাছ কাটার যে প্র্যাকটিস সে থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে”।

নোঙর ট্রাস্ট,এ-র কার্য নির্বাহী সদস্য, জনাব মীর আকরাম উদদীন আহমেদ বলেন, “মানুষের জীবনে একটিও যদি গাছ লাগিয়ে থাকে তাহলে অনেক পুন্যের হবে”।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) সাবেক সভাপতি এবং নোঙর বাংলাদেশ এর কার্যনির্বাহী সদস্য জনাব, নজরুল ইসলাম মিঠু বলেন,”প্রত্যেকটি মানুষকেই সচেতন হতে হবে এবং প্রতিটি মানুষ কমিটমেন্ট করবে প্রতিবছর দশটি করে গাছ লাগাবে”।

রিভার এন্ড ডেলটা রিসার্চ সেন্টার এ-র চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ এজাজ বলেন,” নদী ও খালের দুই পাড় পাড় বাঁধা সিমেন্ট কংক্রিট থেকে বের হয়ে আসতে হবে, নদীর খাল এর পাড় প্রাকৃতিকভাবে যেভাবে আছে ঠিক রেখে গাছ লাগাতে হবে ,প্রয়োজন হলে কাঁটাতার দিয়ে বেড়া দিয়ে রাখতে হবে”।

বাংলাদেশ প্রকৃতি সংরক্ষণ জোট (বিএনসিএ) যুগ্ম আহবায়ক জনাব ইবনুল সাঈদ রানা বলেন,” প্রতিটি মানুষই বিবেক থেকে চিন্তা করতে হবে যে আমি যে তাপমাত্রা সৃষ্টি করছি সেই তাপমাত্রায় বিপরীতে গাছ লাগিয়ে তার প্রতিদান দেয়া” এসি বিক্রেতা যতটুকু তাপ সাশ্রয় করে এসি বিক্রি করে সেই অনুযায়ী বিক্রেতাকে গাছ লাগানো বাধ্যতামূলক করতে হবে, প্রকৃতির বিনিময় হবে”।

পরিবেশবাদী এবং এডভোকেট জনাব শফিক রহমান বলেন,”গাছ গান শুনতে পায়, একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে যেসব গাছ গান বেশি শুনতে পায় সেইসব গাছ ফলন ভালো হয়”। লেখক, প্রকাশক এবং, এক রঙা এক ঘুড়ি প্রতিষ্ঠাতা নীল সাধু বলেন ,” মানুষ শুনতে না চাইলেও বারবার তাকে গাছ লাগানোর ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে”।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জনাব মিহির বিশ্বাস বলেন, “উদ্ভিদ, প্রাণী এবং পানি এই জীবন চক্র উন্নয়নের জন্য বৃক্ষ রোপনের কোন বিকল্প নাই এবং সম্পদশালীদের গাছ লাগানো উদ্বুদ্ধ করতে হবে”।

নোঙর ট্রাস্ট,এ-র কার্য নির্বাহী সদস্য, জনাব মীর আকরাম উদদীন আহমেদ বলেন, “মানুষের জীবনে একটিও যদি গাছ লাগিয়ে থাকে তাহলে অনেক পুন্যের হবে”।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) সাবেক সভাপতি এবং নোঙর বাংলাদেশ এর কার্যনির্বাহী সদস্য জনাব, নজরুল ইসলাম মিঠু বলেন,”প্রত্যেকটি মানুষকেই সচেতন হতে হবে এবং প্রতিটি মানুষ কমিটমেন্ট করবে প্রতিবছর দশটি করে গাছ লাগাবে”।

লেখক, প্রকাশক এবং, এক রঙা এক ঘুড়ি প্রতিষ্ঠাতা নীল সাধু বলেন ,” মানুষ শুনতে না চাইলেও বারবার তাকে গাছ লাগানোর ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে”।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন নোঙর বাংলাদেশ এর নির্বাহী সদস্য আনোয়ার ফরিদী, শ্যামলী খান, জনাব ফজলে সানি, আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী, বাহারুল ইসলাম টিটু, মাজেদুল ইসলাম, এফএইচ সবুজ, রফিক সাদি, মোঃ শফিকুল ইসলাম, অনিকেত রেজা, বাপ্পি খান, নবাব আমিন,আহসান রিপন, নাসির খান, সনাতন উল্লাস, শৈশব, হাবিব আহমেদ নচি, কামাল মোস্তফা, সুরাইয়া আক্তার চিশতী, দর্পন জামিল, আবদুস সামাদ টোকা, শুভ সোমা, এস এম হাসানুজ্জামানসহ আরো অনেকে।

বৃক্ষ রোপণ শেষে সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন আশরাফুল কবির কনক, আবির বাঙালি, হাবিব আহমেদ নচি, রফিক সাদি, চারু, ইফতেখার ইফতি। কবিতা পাঠ করেন কবি রাসেল আশেকী।

শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নোঙর বাংলাদেশ এ-র নির্বাহী সদস্য, ও সংস্কৃতি কর্মী আবির বাঙালি। সঞ্চালনা এবং সভাপতিত্ব করেন সুমন শামস, চেয়ারম্যান, নোঙর বাংলাদেশ ট্রাস্ট।

বিশেষ সহযোগিতা ও কৃতজ্ঞতায় ছবির হাট এবং আপন ওয়েডিং।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে