জলবায়ূ মোকাবেলা করতে হলে জাতীয় সংসদ কে ‘সবুজ সংসদ’ ঘোষণা করা জরুরী।

0
5
নোঙর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুমন শামস।

 “জলবায়ু সংকট মোকাবিলা করতে নদী দখল-দূষণ মুক্ত করার জন্য সকল সংসদ সদস্য কে পরিবেশ প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য নিজেদের সচেতন করার মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ কে ‘সবুজ সংসদ’ (green parliament) ঘোষণা করা জরুরী।”

জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় আমাদের দেশের নদীগুলোকে বাঁচাতে হবে মন্তব্য করে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু বলেছেন, নদী দখলকারীরা এতই শক্তিশালী যে, সরকার সব শক্তি দিয়েও তাদের উচ্ছেদ করতে পারছে না। নদী দখল ও দূষণকারীদের হাত থেকে উদ্ধার করতে সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ-সদস্য ও জনপ্রতিনিধিদের নদী আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে।

বুধবার বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় সংসদের এলডি হলে বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলনের আয়োজনে ‘জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় নদীর গুরুত্ব’ শীর্ষক সেমিনার প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডেপুটি স্পিকার এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি অধ্যাপক মো. আনোয়ার সাদতের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার হোসেনের পরিচালনায় সেমিনার উদ্বোধন করেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার।

নোঙর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুমন শামস বলেন, “জলবায়ু সংকট মোকাবিলা করতে নদী দখল-দূষণ মুক্ত করার জন্য সকল সংসদ সদস্য কে পরিবেশ প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য নিজেদের সচেতন করার মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ কে ‘সবুজ সংসদ’ (green parliament) ঘোষণা করা জরুরী।”

বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহ আজম। সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. লুৎফর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবটিক অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শামীম আহমেদ দেওয়ান। আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন, নদী বাঁচাও আন্দোলনের সহসভাপতি ড. এসএম শফিকুল ইসলাম কানু, ফেডরিক মুকুল বিশ্বাস, ইকরাম এলাহী খান সাজ, রফিকুল আলম, রফিক মোল্লা প্রমুখ।

সূত্র: বাসস

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে