ভাড়া নেওয়ার কথা বলে নিউ এলিফেন্ট রোডে দোকান দখল করল ভাড়াটিয়া!

0
30

নিউ এলিফেন্ট রোড। বাড়ি নাম্বার ৪৩, নাম করিম ভবন। ১৯৬৮ সালের তৎকালীন ভবন মালিক জনাব ওয়াজেদ সাহেবের কাছ থেকে নিচ তলার একটি দোকান পজিশন ক্রয় করেন আরজু রহমানের বাবা এটিএম ফজলুর রহমান। শুরুতে দেকানটিতে এটিএম ফজলুর রহমান নিজে ব্যবসা করতেন।

এটিএম ফজলুর রহমান মৃত্যর পর তার একমাত্র উত্তর অধিকারী তার ছেলে আরজু রহমান ভবনের বর্তমান মালিক রেজাউল করিম সাহেবের কাছ থেকে নতুন করে পজেশন মালিকানা দলিল সম্পাদন করেন। এরপর থেকে আরজু রহমান ভাড়াটিয়ার মাধ্যমে দোকান পরিচালনা করতেন। ৫ বছর আগে ১২ লক্ষ টাকা অগ্রিম নিয়ে দোকানটি ভাড়া দেন মোবারক হোসেন নান্টুর কাছে।

চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে দোকান ছাড়তে নোটিশ দেন দোকান মালিক আরজু রহমান। কিন্তু অগ্রিম এর টাকা ফেরত নিয়েও দোকান ছাড়ছেন না ভাড়াটিয়া মোবারক হোসেন নান্টু, বর্তমানে তিনি দোকান ভাড়াও পরিশোধ করছেন না গত ১১ মাস। ভাড়া চাইতে গেলে মিলছে হুমকি এবং ধমকি।

এর প্রেক্ষিতে দোকান মালিক আরজু আশ্রয় নেন আইনের। তিনি গত জানুয়ারী মাসের ৬ তারিখে নিউমার্কেট থানায় একটি সাধারন ডাইরী (জিডি) করেন। জিডি নাম্বার ২৭১-৫/১/২০২২। যার তদন্ত পান নিউমার্কেট থানার এসআই ছবির উদ্দিন।

এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকতা নিউমার্কেট থানার এসআই ছবির উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন ‘আমরা জিডির আলোকে তদন্ত করেছি। এবং দোকান ভাড়াটিয়া মোবারক হোসেন মন্টুকে নোটিশ করেছি এর বেশি আর কিছু বলা যাবেনা যেহেতু বিষয়টি (জিডি) তদন্তাধীন রয়েছে।

আরজু রহমান বলেন ২০১৬ সালে আমি নান্টু সাহেবের কাছে ১২ লাক্ষ টাকা অগ্রিম নিয়ে ৫ বছর চুক্তিতে ভাড়া দেই। তিনি চার বছর ঠিক মত ভাড়া দিলেও শেষ বছর ভাড়া নিয়ে তালবাহানা শুরু করে। প্রেক্ষিতে ও চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে তাকে দোকান ছাড়তে বলি এবং জামানত বাবত ১২ লক্ষ টাকা ফিরিয়ে দেই। কিন্তু তিনি গত এক বছরেও দোকান খালি করেন নাই তাই আমি আইনের আশ্রয়ের অংশ হিসেবে থানায় জিডি করি। এবং আমার বকেয়া ভাড়াসহ দোকানটি বুঝে পেতে আইনের দারস্ত হয়েছি।

এ বিষয়ে ভাড়াটিয়া মোবারক হোসেন নান্টু বলেন ‘আমি দীর্ঘদিন আরজু সাহেবের ভাড়াটিয়া ছিলাম। বর্তমানে আমি তার ভাড়াটিয়া নয়। ওই ভবন মালিক রেজাউল করিমের ছেলে এসানুল করিম থেকে ভাড়া নিয়েছি। আমি এখন তাকেই ভাড়া দিচ্ছি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে