দেশের নিরাপত্তা যাতে বিঘ্ন করতে না পারে; সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

    0
    7

    নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, শ্রীলংকার পরিস্থিতির কথা বলে দেশে বিশৃংখলা সৃষ্টি করার জন্য আতংক সৃষ্টি করা হচ্ছে; বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। দেশের নিরাপত্তা যাতে বিঘ্ন করতে না পারে; সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।

    তিনি বলেন, করোনা পরবর্তী ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সারাবিশ্ব টালমাটাল। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে আছে।

    আজ বিকেলে সদরঘাট নৌবন্দরে এম.ভি সুন্দরবন-১০ লঞ্চে ‘নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ-২০২২’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    ‘প্রশিক্ষিত জনবল ও নিরাপদ জলযান, নৌ নিরাপত্তায় রাখবে অবদান ’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ থেকে দেশব্যাপী নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ-২০২২ শুরু হয়েছে।

    নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা দক্ষ হাতে দেশ চালাচ্ছেন বলে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। সড়ক, রেলপথে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। এমনকি আকাশ পথে বিমান চলাচলের ক্ষেত্রেও উন্নয়ন হয়েছে। নৌপথেও উন্নয়ন হয়েছে। হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হচ্ছে। আরো বাজেট আসবে। সেগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।

    নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর এ জেড এম জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম, বীর উত্তম, সংসদ সদস্য এস এম শাহজাদা, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান আহমেদ শামীম আল রাজী, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল (যাপ) সংস্থার সাবেক প্রধান উপদেষ্টা গোলাম কিবরিয়া টিপু এমপি, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল (যাপ) সংস্থার সহ-সভাপতি বদিউজ্জামান বাদশা, বাংলাদেশ কার্গো ভেসেল ওনার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল হক, নৌপরিবহন অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী মনজুরুল কবীর ও বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাহ আলম ভূইয়া।

    খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আজকে আমরা নদী ও নৌপথ নিয়ে চিন্তা ভাবনা করছি। কিন্তু অত্যন্ত দূরদৃষ্টি সম্পন্ন মহাবিজয়ের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই পঞ্চাশের দশক থেকে নদী ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে ভাবতেন। তিনিই এদেশের সমুদ্র, নদ-নদী, নৌপথ এবং নৌপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রথম পদপ্রদর্শক। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সেই কলঙ্কিত অধ্যায় ও রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সব কিছুই যেন ওলট পালট হয়ে যায়।

    তিনি বলেন, ২০০৯ সালের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর পরই নেওয়া হয়েছে নানাবিধ উদ্যোগ। বিলুপ্ত ও বেদখল হওয়া নদীগুলোকে পুনরুদ্ধার করে খননের মাধ্যমে প্রবাহমান করা এবং নৌপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের কঠিন কাজে প্রধানমন্ত্রী নিজেই নেতৃত্ব দিচ্ছেন। হারিয়ে যাওয়া নৌপথ উদ্ধার ড্রেজার সংগ্রহের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। নৌপথের নাব্যতা বজায় রাখার লক্ষ্যে স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু সাতটি ড্রেজার সংগ্রহ করেছিলেন।

    একটি উত্তর ত্যাগ

    আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
    এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে