প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষার দাবিতে আন্দোলনে নামছে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো

0
59
বন্যপ্রাণী রক্ষার দাবিতে আন্দোলনে নামছে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো

সম্প্রতি চলমান হাতি হত্যাসহ বিভিন্ন সময় বন্যপ্রাণী হত্যা বন্ধে বন অধিদফতরের ব্যর্থতার প্রতিবাদ, এসব ঘটনায় বন সংশ্লিষটদের জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং সমস্যাগুলো দূর করে দ্রুত বন্যপ্রাণীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে আন্দোলনে নামছে দেশের প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় কাজ করা সংগঠনগুলো।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) রাতে এক জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে এ ব্যাপারে ঐক্যমত প্রকাশ করে কয়েকটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।  অন্য সংস্থাগুলোকেও একই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করে আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে একটি আহ্বায়ক কমিটিও গঠন করেছে তাঁরা। একই সংগে আগামী রবিবার (২৮ নভেম্বর) বন ভবন এলাকায় সাধারণ জনগণকে নিয়ে অবস্থান নিয়ে সংস্কৃতিক প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনগুলো।

পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সাংবাদিক কেফায়েত শাকিলের সঞ্চালনায় ভার্চুয়াল এই মিটিংয়ে যুক্ত হন

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) যুগ্ম সম্পাদক ও পরিবেশ বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার, পিপল ফর অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা স্থপতি রাকিবুল হক এমিল, নোঙর বাংলাদেশ এ-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুমন শামস, সবুজ আন্দোলনের চেয়ারম্যান বাপ্পী সরদার, সেভ আওয়ার সি এর মহাসচিব মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক, ওশান এক্সপ্লোরার এস এম আতিকুর রহমান, গ্রীন ফাইটিং মুভমেন্টের সভাপতি নাবিল আহমদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান সমি,  ডীপ ইকোলজি এন্ড স্নেক রেসকিউ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ মাহফুজুর রহমান, খালেদ রেদওয়ান চৌধুরী, ইসরাত জাহান প্রমুখ।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী রবিবার (২৮ নভেস্বর) সকাল ৯টা থেকে আগারগাঁও অবস্থিত বন ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বন বিভাগের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ সব সমস্যা সমাধানের দাবিতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়।

এই সময় আন্দোলনটিকে কোনো নির্দিষ্ট সংগঠনের ব্যানারে না রেখে জনতার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দাঁড় করানো এবং আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে পরিবেশবাদী সব ব্যক্তি ও সংগঠনকে একত্রিত করার পরার্মশ দেন সবাই। পরামর্শের আলোকে উল্লিখিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে সর্বসম্মতিক্রমে ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদারকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়। সভায় যুক্ত প্রতিটি সংগঠনের একজন সদস্যকে আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে রাখারও সিদ্ধান্ত হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে