জাপানের সঙ্গে ২ দশমিক ৬৬৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি সই

0
5

বাংলাদেশ ও জাপান সরকারের মধ্যে ২টি বিনিয়োগ প্রকল্প এবং ১টি বাজেট সহায়তা ঋণের জন্য মোট ২ দশমিক ৬৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময় নোট ও ঋণচুক্তি সই হয়েছে।

সোমবার ঢাকায় পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাউকোর সাথে বিনিময় নোট এবং জাইকার চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইউও হায়াকাউয়ার সাথে ঋণচুক্তি স্বাক্ষর করেন।

ঋণচুক্তি স্বাক্ষরকালে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে সংযুক্ত ছিলেন। সভায় অর্থমন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত অকৃত্রিম বন্ধু দেশ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭৩ সালের ঐতিহাসিক জাপান সফরের মাধ্যমে দু’দেশের সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন হয়। এটি ছিল অংশীদারিত্বের সূচনা, যা দিনে দিনে শক্তিশালী হয়েছে। তিনি বলেন,বঙ্গবন্ধু সড়ক ও যমুনা নদীর উপর রেল সেতু, ঢাকা শহরের মেট্রো রেল নেটওয়ার্ক, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৃতীয় টার্মিনাল,মাতারবাড়ি পাওয়ার প্লান্ট ও মাতারবাড়ী সমুদ্র বন্দরসহ চলমান বেশ কয়েকটি আইকনিক মেগা প্রকল্পে জাপান সরকার সম্পৃক্ত রয়েছে। যেটার জন্য আমরা সেদেশের সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞ।

মুস্তফা কামাল জানান, কোভিড-১৯ মহামারির শুরুতে বাজেট সহায়তার আহ্বানে জাপান খুব দ্রুত ইতিবাচক সাড়া দেয়। বলেন, গত বছর বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো ৩২০ মিলিয়ন ডলারের বাজেট সহায়তা ঋণ প্রদান করে এবং এর প্রেক্ষিতে আজ ৩৬৫মিলিয়ন ডলারের ‘কোভিড-১৯ ক্রাইসিস রেসপন্স ইমার্জেন্সি সাপোর্ট লোন ফেজ-২’ স্বাক্ষরিত হলো। এছাড়া ৪২তম ইয়েন লোন প্যাকেজের ১ম ধাপের অধীনে ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের দুটি ঋণ চুক্তি আজ স্বাক্ষরিত হলো।

জাপান সরকারের ৪২তম ওডিএ লোন প্যাকেজ (১ম ব্যাচ) এর আওতাধীন বিনিয়োগ প্রকল্প দুইটির জন্য স্বাক্ষরিত ঋণের বাৎসরিক সুদের হার নির্মাণ কাজের জন্য শুন্য দশমিক ৬০ শতাংশ, পরামর্শক সেবার জন্য শুন্য দশমিক শুন্য ১শতাংশ, এককালীন শুন্য ২ শতাংশ। এ ঋণ ১০ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে পরিশোধযোগ্য। বাজেট সাপোর্ট ঋণের বাৎসরিক সুদের হার শুন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ। এ ঋণ ১০ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে পরিশোধযোগ্য। বাসস

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে