সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের একটি গাছও কাটা যাবে না

0
21
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের একটি গাছও কাটা যাবে না। ছবি : মুরাদ নূর

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কেটে দোকান ও হাঁটার পথ তৈরি করা প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ‘কবি, লেখক, শিল্পী, ছোটকাগজ ও সংস্কৃতিকর্মীরা।

শুক্রবার (৭ মে) বিকাল তিনটায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ছবির হাটে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন তারা।

মানবন্ধনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জুনায়েদ হালিম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর গড়ে তোলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঢাকা শহরের অক্সিজেন ভাণ্ডার। স্বাধীনতার স্মৃতি বিজড়িত উদ্যানকে ধ্বংস করে কতিপয় মানুষ ব্যবসা বাণিজ্যের আস্তানা বানানোর পাঁয়তারা করছে। আমরা এটা মেনে নিতে পারি না। উদ্যানকে বাজারে রূপান্তরিত করার এই পাঁয়তারা আমরা মানি না। হোটেল রেস্তোরাঁ বানানোর নামে বাণিজ্য করবে। পাঁচ টাকার কাজ পঁচিশ টাকা দেখিয়ে টাকা কামানোর এই প্রক্রিয়া আমরা রুখে দেবো।

গণসাংস্কৃতিক ফ্রন্টের যুগ্ম আহবায়ক জাকির হোসেন বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঢাকার ফুসফুস। এই শহরে যত মানুষ বাস করে সেই তুলনায় এই ফুসফুস কিছুই না। দুর্ভাগ্য এই ফুসফুসকে কেটে ফেলতে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। এটা পুঁজিবাদী উদ্যোগ। এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান আমাদের কাছে ফুসফুস আর পুঁজিবাদীদের কাছে তা ব্যবসা। পুঁজিবাদ সমস্ত দিক থেকে পরিবেশকে ধ্বংস করে ফেলছে। পাহাড় কেটে ভবন বানাচ্ছে, গাছ কেটে বানাচ্ছে রেস্তোরাঁ। এটা মর্মান্তিক। কোনোভাবেই গাছ কেটে পরিবেশ ধ্বংস করা যাবে না।

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ লেখক শিবিরের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল, চারণিক সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুল হক আরিফ, ছাত্রফ্রন্টের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সালমান সিদ্দিকী, নোঙর বাংলাদেশের সভাপতি সুমন শামস প্রমুখ।

গত বুধবার, ৫ মে ২০২১ তারিখে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কাটার প্রতিবাদে নোঙর বাংলাদেশ, স্বাধীনতা উদ্যান সাংস্কৃতিক জোট এবং গ্রীণ প্ল্যানেট প্রথম মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করার পর থেকে প্রতিদিন অসংখ্য পরিবেদ কর্মী, ছাত্র-শিক্ষক, কবি-সাহিত্যিক ও শিল্পীদের প্র সংহতি প্রকাশ্য অব্যাহত আছে্।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে