বরগুনায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি তরমুজ উৎপাদন

0
44

জেলায় চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি তরমুজ উৎপাদন হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় হেক্টরপ্রতি গড় উৎপাদনের হার ৫০ মেট্রিক টন। এ বছর দালালের দৌরাত্ম ছিলো অনেক কম।

দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মহাজনেরা সরাসরি চাষিদের কাছ থেকে তরমুজ কিনছেন। এরই মধ্যে ক্ষেত থেকে ৭০ শতাংশ তরমুজ বিক্রি শেষ। ভালো দামও মিলেছে।

বরগুনা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, বরগুনায় ৪ হাজার ৪৩ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে কেবল আমতলী উপজেলাতেই তরমুজের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৯৯০ হেক্টর।

সেখানে উৎপাদন হয়েছে ৬৯ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন তরমুজ। আমতলীতে প্রতি টন তরমুজ ৩০ হাজার টাকা দরে প্রায় ২১০ কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছে, পরিসংখ্যানে গত বছরের তুলনায় চার গুণ।

সোনাখালী গ্রামের এক চাষি মাহবুব মাতুব্বর জানান, ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ১২ একর জমিতে তরমুজের চাষ করেছিলেন। ওই জমির তরমুজ ১২ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাঝারি সাইজের একটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ২শ ৫০ টাকা থেকে ৩শ ৫০ টাকায়। বড় তরমুজ ৩শ ৫০ টাকা থেকে ৫শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় চার গুণ। তরমুজ ব্যবসায়ীরা জানান, এবার বেশি তরমুজ উৎপাদিত হয়েছে, বাজারে চাহিদাও বেশি।

জেলা কৃষি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক বদরুল হোসেন জানিয়েছেন, দক্ষিণের চাষিরা তরমুজ উৎপাদনে দিনদিন সাফল্য পাচ্ছেন। এক ফসলি জমিকে নিজেদের বুদ্ধিমত্তা ও কৌশল দিয়ে বহু ফসলি জমিতে রূপান্তরের এ প্রয়াস কৃষিক্ষেত্রে আশা জাগাচ্ছে।

কৃষিক্ষেত্রে দক্ষিণাঞ্চলের সাফল্য দেশের গোটা অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখছে; -জানিয়েছেন, বরিশাল বিভাগীয় কৃষি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আফতাব উদ্দীন।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে