দক্ষিণ এশীয় জলবায়ূ সংকট নিরসনে গণসমাবেশে নোঙর বাংলাদেশের সংহতি প্রকাশ

0
74
দেখা হয়েছে

শনিবার, ০২ নভেম্বর ২০১৯, (নোঙরনিউজ) : জীবাশ্ম জ্বালানি কয়লার ব্যবহার বন্ধ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সৌরশক্তির ব্যবহার ও এসডিজি বাস্তবায়নের দাবিতে গণসমাবেশ ও পদযাত্রা করেছে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর জোট ‘দক্ষিণ এশীয় জলবায়ু সংকট নিরসনে গণকর্মসূচি (সাপাক)’। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগে পাবলিক লাইব্রেরির সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়। টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্ব পরিবেশ রক্ষায় বিভিন্ন দেশে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে গণসমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে পরিবেশ রক্ষায় একটি স্থানীয় এবং পাঁচটি আঞ্চলিক দাবি তুলে ধরা হয়। স্থানীয় দাবিটি হলো- বিদ্যুৎ উৎপাদনে সৌরশক্তি ব্যবহার ও এসডিজি বাস্তবায়ন করা। আঞ্চলিক দাবিগুলো হলো- সারাবিশ্বে গ্যাস নিঃসরণ বন্ধ করা; সবক্ষেত্রে ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করা; বিকেন্দ্রিক, গণতান্ত্রিক ও সুশাসন নিশ্চিত করা; বাতাস, পানি, জলাশয়, নদী ও ভূমি পুনরুদ্ধার করা এবং বৃহৎ দূষণকারীদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করা।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক ও সাপাকের আঞ্চলিক সমন্বয় কমিটির সদস্য ডা. আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. গোলাম রহমান, ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম আবু সাঈদ, বাপার নির্বাহী সদস্য রুহিন হোসেন প্রিন্স, কার্যকরী সদস্য হাসান ইউসুফ খান, নোঙর বাংলাদেশের সভাপতি সুমন শামস, নারী নেত্রী লুনা নূরসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাপার জাতীয় কমিটির সদস্য সৈয়দ আজিজুল হক, বুড়িগঙ্গা বাঁচাও আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব মিহির বিশ্বাস প্রমুখ।

সমাবেশে অধ্যাপক গোলাম রহমান বলেন, ‘পরিবেশ বাঁচানোই আমাদের লক্ষ্য। আগামী বছর সারাদেশে এক কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করেছি। এর মাধ্যমে আমরা দেশকে আবার সুজলা-সুফলা করার আন্দোলন শুরু করতে চাই।’

লিখিত বক্তব্যে ডা. আবদুল মতিন বলেন, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লার সম্ভাব্য কুফল সম্পর্কে সরকারকে অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু তাতে কোনো ফল হয়নি। তাছাড়া আরও কয়েকটি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র সরকারি পরিকল্পনায় রয়েছে এবং কয়েকটির কাজও চলছে। অথচ আমাদের সূর্যের আলোসহ বিকল্প জ্বালানির যথেষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে, যা ব্যবহার করে বাংলাদেশ একটি পরিচ্ছন্ন জ্বালানির উন্নত দেশ হতে পারে।

অধ্যাপক আবু সাঈদ বলেন, কয়লার কারণে বায়ু, পানি, ও মাটি দূষিত হচ্ছে। পরিবেশ বাঁচাতে কয়লা ব্যবহারের বিরুদ্ধে সবাইকে আন্দোলন করতে হবে।

রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, সৌরশক্তি, বায়ুশক্তিসহ নবায়নযোগ্য বিকল্প শক্তির সন্ধান সরকারকে করতে হবে। তা না হলে পরিবেশ রক্ষায় এ দেশের মানুষ কঠোর আন্দোলনে নামবে। সূত্র : সমকাল

আপনার মন্তব্য লিখুন

অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন
অনুগ্রহ করে এখানে আপনার নাম লিখুন