হুমকির মুখে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

0
47
দেখা হয়েছে
লালব্রিজ এলাকায় বালু উত্তোলন। ছবি: সংগৃহীত

সোমবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৯, (নোঙরনিউজ) : কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নে জেলা প্রশাসনের ইজারা দেওয়া বালু মহালের পাশে লালব্রিজ এলাকায় ইজারা চুক্তি লঙ্ঘন করে বালু উত্তোলনে নেমেছে একটি চক্র। বৈধ ইজারাদারপক্ষ প্রশাসনের আদেশ মেনে সেতুর উপরের অংশ থেকে বালু সংগ্রহ করলেও অবৈধপক্ষটি সেতুর নিচ থেকে বালু উত্তোলন করছে।

এতে হুমকির মুখে পড়েছে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। পাশাপাশি চলাচলে দুর্ভোগে পড়েছে ওই এলাকার অন্তত ১৫ হাজার মানুষ। দুর্ভোগ লাগবে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী।

স্থানীয় মিনহাজ উদ্দিন, মোহাম্মদ হান্নান, নুরুল হক দিলু, মো. মিরান, মোবারক, নুরুল কবির, মিজানুর রহমানসহ আরো কয়েকজন ভুক্তভোগী দাবি করেন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন থেকে ইজারা নেওয়া তাদের হারবাং ছড়া খাল বালু পয়েন্টটি অবৈধভাবে ভোগ করছে স্থানীয় একটি চক্র।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মুজিবুর রহমান, শওকত ওসমান ওরফে শওকত আলী, দেলোয়ার হোসেন দিলুসহ অভিযুক্তরা ইজারার চুক্তি লঙ্ঘন করে হারবাং ছড়া খালস্থ লালব্রিজের নিচে মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করছে।

এতে হুমকির মুখে পড়েছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক, লালব্রিজ, হারবাং ছড়া সেচ প্রকল্প ও বেড়িবাঁধ। এছাড়াও হারবাং ছড়া খালের দু’তীরে বসবাসরত ও চলাচলরত সামাজিক পাড়া এলাকার অন্তত পাঁচহাজার জনসাধারণ। মধ্যম বৃন্দাবনখিল এলাকা রোডের পাঁচশতাধিক পরিবার এবং বড়ুয়াপাড়া হারবাং সড়কে যাতায়াত করা আরো তিন হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে।

এদিকে বালু উত্তোলনের কারণে সেচ প্রকল্পের স্লইচ ও বেড়িবাঁধে ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছে। তাই জরুরী ভিত্তিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এদিকে স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে স্মারকলিপিসহ লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

জানতে চাইলে বালু উত্তোলনে নিয়োজিত পক্ষের শওকত ওসমান ওরফে শওকত আলী দাবি করেন, তারা কোন ধরণের ইজারা চুক্তি লঙ্ঘন করছেন না। উল্লেখিত বালু পয়েন্ট নাকি তারা লিজ নিয়েছেন।

হারবাং ইউপি চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম জানান, চকরিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে এলাকাবাসী একটি অভিযোগপত্র দিয়েছে শুনেছি। ইউএনকে আমি এই ব্যাপারে জানাবো।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও শিবলী মোহাম্মদ নোমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, একটি অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। আমরা আগামীকাল দেখব। প্রয়োজনে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন
অনুগ্রহ করে এখানে আপনার নাম লিখুন